
Desk Report || Katha 24
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড দেশটির জন্য একটি বৃহৎ আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে, এই ঘটনার মাধ্যমে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটবে না এবং সংঘাতও কমবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ৩৭ বছর ধরে খামেনি ইরানের প্রশ্নাতীত শাসক হিসেবে বটবৃক্ষের মতো প্রতিষ্ঠিত ছিলেন; তবে তাঁর মৃত্যুতে রাজনীতির চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে এমনটি নয়। ইরানে নেতৃত্বের কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, খামেনির মৃত্যুর পরও শাসনব্যবস্থা একইভাবে কার্যকর থাকবে।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে শাসনভার শিয়া মতবাদী ধর্মীয় নেতাদের হাতে রয়েছে। দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই শাসনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সমন্বিত। খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। ৮৮ জন ধর্মীয় নেতার একটি বোর্ড, যাকে বিশেষজ্ঞদের পর্ষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) বলা হয়, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। এই ধর্মীয় নেতারা বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর প্রতি অনুগত এবং খামেনির নির্দেশিত পথ অনুসরণকারী একজন নেতা বেছে নেবেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আগামী দু–এক দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন হতে পারে।
ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলো ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বিশেষ মতাদর্শে উজ্জীবিত এই বাহিনীর লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের ইসলামিক ব্যবস্থাকে সুরক্ষা প্রদান করা। আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং দেশের ভেতরে ভিন্ন মতাদর্শের প্রতি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে।
রাফি বার্গ, বিবিসি
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।